Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ দুই ভাইবোন গ্রেফতার নওগাঁ সদর মডেল থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মিন্টু রহমানের যোগদান লালপুরে গরম পানি ঢেলে আপন ভাবী ও ভাতিজার শরীর ঝলসে দিল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী চৌগাছায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির আলোচনা সভা ও র‌্যালি ক্ষমতার ভাগাভাগি নয়,জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করছে এবি পার্টি: মজিবুর রহমান মঞ্জু নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা!! ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে চান সংস্কৃতিমন্ত্রী- নিতাই রায় চৌধুরী পুঠিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পাওনা টাকা চাওয়ায় ছোট ভাইয়ের মাথা ফাটালো বড় ভাই

বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক আদমদীঘিতে তীব্র শীত ও কুয়াশায় জনবীবন বিপর্যস্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:07 pm, Monday, 29 December 2025
  • 70 Time View

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ বগুড়ার আদমদিঘীতে জেঁকে বসেছ্রে শীত। কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ক্রমেই কমে যাওয়ার সঙ্গে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় শীতের তীব্রতা বেরেছে।

তীব্্র শীত্ ও কুয়াশার কারণে মানুষ ঘর থেকে বেরহতে পারছেনা। দিন মজুর,রিকশা,ভ্যান, শ্রমিক সহ শ্রমজীবী মানুষ কাজ করতে না পেরে দেনাগ্রস্থ হয়ে পরেছে।

এছার্ওা ইরি-বোরো ধানের বীজতলার রোগ বালায় আকা ন্ত হয়ে নষ্ট হ্ওয়ার উপ্কম দেখা দিয়েছে।

গত কয়েক দিনের তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে জনজী বন বিপয্র্স্ত হয়ে পরেছে। সেই সাথে বোরো ধানের বীজ তলায় রোগবালা দেখা দিয়েছে।

এনিয়ে কৃষকরা দুরচিন্তায় পড়েছে। প্রায় এক সপ্তাহব্যাপি ধরে শৈতপ্রবাহের কারণে বহু কৃষকের বীজতলা ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অনেক কৃষক বীজতলা রক্ষায় ঔষধ প্রয়োগ এবং পলি থিন দিয়ে ঢেকে দিয়ে ও ভালো ফলাফল পাচ্ছে না।

কয়েকদিন হলো সূর্যের আলোর দেখা মিলছে না। ফলে
বীজতলায় বীজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কৃষকরা আশঙ্কা কর ছেন, বীজতলা নষ্ট হলে ইরি – বোরো রোপন কাজ বিলম্বিত হবে এবং ফলনে এর প্রভাব পড় বে।এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিস বীজতলা রক্ষায় কৃষকদের নানা পরামর্শ সহ বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে বলা হচ্ছে।

উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তীব্র শীত ও প্রচন্ড কুয়াশার কারনে কৃষকরা বীজতলা রক্ষায় একে অপরের পরামর্শ নিচ্ছেন, কেউ ঔষধের দোকানে আবার কেউ উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ নিতে উপজেলায় ছুটছেন।

এরমধ্য অনেকে পলিথিন এবং খড়দিয়ে বীজতলা ঢেকে রেখেছেন। অনেক বীজতলা প্রচন্ড শীত আর কুয়াশায়
হলদে আকার ধারন করেছে।

আবার যে সব বীজতলা একটু উচু এলাকায় বীজতলা সেগুলির ক্ষতি হওয়ার অপেক্ষাকৃত ঝুঁকি কম। দিনের বেলা কুয়াশা কম হলেও সন্ধ্যার পর বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে। টানা কয়েক দিন আদমদীঘি উপজেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি।

এতে শুধু কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেনা এই এলাকার জীবন যাত্রায় স্তবিরতা দেখা দিয়েছে।

কয়েকদিন ধরে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। তাপমাত্রা ক্রমেই কমে যাওয়ার সঙ্গে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় রাতে শীতের তীব্রতা বাড়ছে।

কুয়াশার কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেনা। দিন মজুর,রিকশা, ভ্যান, শ্রমিক সহ শ্রমজীবী মানুষ কাজ করতে না পেরে দেনাগ্রস্থ হয়ে পরেছে।

সান্তাাহার ইউনিয়নের কায়েত পড়া গ্রামের কৃষক শফির উদ্দীন জানান, প্রচন্ড শীত আর কুয়াশায় বীজতলা রক্ষা করা যাবে কি না সে নিয়ে আমরা চিন্তিত।

কৃষি অফিস থেকে যেসব ঔষধ প্রয়োগ করার কথা বলা হয়েছে বাজারে সেসব ঔষধ পাওয়া যাচ্ছে না।

অতি তারা তাড়ি ঔষধ খাওয়া নাগেলে বীচতলা রক্ষা করা যাবেনা। ইতিমধ্যে বীজতলা হলুদ বর্নর রুপ ধারন করেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানান, প্রচন্ড শীত ও ঘন কুয়া শার থেকে বীজতলা রক্ষায় রাতের বেলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। চারায় সবসময় মাটির নীচ থেকে তোলা পানি ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে।

পুকুর থেকে তোলা পানি ব্যবহার করা যাবে না। কারন পুকুরের পানি অনেক ঠান্ডা।

প্রতি দশ লিটার পানিতে ৭০ গ্্রাম থ্ওিভিট জাতীয় প্্রতিষধক মিশিয়ে দ্ওেয়ার জন্য বলি হচ্ছে। #

About Author Information

Popular Post

ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক আদমদীঘিতে তীব্র শীত ও কুয়াশায় জনবীবন বিপর্যস্ত

Update Time : 05:07 pm, Monday, 29 December 2025

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ বগুড়ার আদমদিঘীতে জেঁকে বসেছ্রে শীত। কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ক্রমেই কমে যাওয়ার সঙ্গে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় শীতের তীব্রতা বেরেছে।

তীব্্র শীত্ ও কুয়াশার কারণে মানুষ ঘর থেকে বেরহতে পারছেনা। দিন মজুর,রিকশা,ভ্যান, শ্রমিক সহ শ্রমজীবী মানুষ কাজ করতে না পেরে দেনাগ্রস্থ হয়ে পরেছে।

এছার্ওা ইরি-বোরো ধানের বীজতলার রোগ বালায় আকা ন্ত হয়ে নষ্ট হ্ওয়ার উপ্কম দেখা দিয়েছে।

গত কয়েক দিনের তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে জনজী বন বিপয্র্স্ত হয়ে পরেছে। সেই সাথে বোরো ধানের বীজ তলায় রোগবালা দেখা দিয়েছে।

এনিয়ে কৃষকরা দুরচিন্তায় পড়েছে। প্রায় এক সপ্তাহব্যাপি ধরে শৈতপ্রবাহের কারণে বহু কৃষকের বীজতলা ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অনেক কৃষক বীজতলা রক্ষায় ঔষধ প্রয়োগ এবং পলি থিন দিয়ে ঢেকে দিয়ে ও ভালো ফলাফল পাচ্ছে না।

কয়েকদিন হলো সূর্যের আলোর দেখা মিলছে না। ফলে
বীজতলায় বীজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কৃষকরা আশঙ্কা কর ছেন, বীজতলা নষ্ট হলে ইরি – বোরো রোপন কাজ বিলম্বিত হবে এবং ফলনে এর প্রভাব পড় বে।এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিস বীজতলা রক্ষায় কৃষকদের নানা পরামর্শ সহ বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে বলা হচ্ছে।

উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তীব্র শীত ও প্রচন্ড কুয়াশার কারনে কৃষকরা বীজতলা রক্ষায় একে অপরের পরামর্শ নিচ্ছেন, কেউ ঔষধের দোকানে আবার কেউ উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ নিতে উপজেলায় ছুটছেন।

এরমধ্য অনেকে পলিথিন এবং খড়দিয়ে বীজতলা ঢেকে রেখেছেন। অনেক বীজতলা প্রচন্ড শীত আর কুয়াশায়
হলদে আকার ধারন করেছে।

আবার যে সব বীজতলা একটু উচু এলাকায় বীজতলা সেগুলির ক্ষতি হওয়ার অপেক্ষাকৃত ঝুঁকি কম। দিনের বেলা কুয়াশা কম হলেও সন্ধ্যার পর বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে। টানা কয়েক দিন আদমদীঘি উপজেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি।

এতে শুধু কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেনা এই এলাকার জীবন যাত্রায় স্তবিরতা দেখা দিয়েছে।

কয়েকদিন ধরে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। তাপমাত্রা ক্রমেই কমে যাওয়ার সঙ্গে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় রাতে শীতের তীব্রতা বাড়ছে।

কুয়াশার কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেনা। দিন মজুর,রিকশা, ভ্যান, শ্রমিক সহ শ্রমজীবী মানুষ কাজ করতে না পেরে দেনাগ্রস্থ হয়ে পরেছে।

সান্তাাহার ইউনিয়নের কায়েত পড়া গ্রামের কৃষক শফির উদ্দীন জানান, প্রচন্ড শীত আর কুয়াশায় বীজতলা রক্ষা করা যাবে কি না সে নিয়ে আমরা চিন্তিত।

কৃষি অফিস থেকে যেসব ঔষধ প্রয়োগ করার কথা বলা হয়েছে বাজারে সেসব ঔষধ পাওয়া যাচ্ছে না।

অতি তারা তাড়ি ঔষধ খাওয়া নাগেলে বীচতলা রক্ষা করা যাবেনা। ইতিমধ্যে বীজতলা হলুদ বর্নর রুপ ধারন করেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানান, প্রচন্ড শীত ও ঘন কুয়া শার থেকে বীজতলা রক্ষায় রাতের বেলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। চারায় সবসময় মাটির নীচ থেকে তোলা পানি ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে।

পুকুর থেকে তোলা পানি ব্যবহার করা যাবে না। কারন পুকুরের পানি অনেক ঠান্ডা।

প্রতি দশ লিটার পানিতে ৭০ গ্্রাম থ্ওিভিট জাতীয় প্্রতিষধক মিশিয়ে দ্ওেয়ার জন্য বলি হচ্ছে। #