Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছা পৌর সদরে দুধর্ষ চুরি : বৃদ্ধাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে ৪ লাখ টাকার মালপত্র লুট ঝিকরগাছায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত বাগেরহাটে নানা আয়োজনে সমবায় দিবস উদযাপন পুঠিয়ায় টাফেন্টাডল ও ইয়াবা টেবলেটসহ তিনজন আটক চৌগাছায় সমবায় দিবস পালিত সমবায় সমিতিকে পুরস্কার প্রদান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ দুই ভাইবোন গ্রেফতার নওগাঁ সদর মডেল থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মিন্টু রহমানের যোগদান লালপুরে গরম পানি ঢেলে আপন ভাবী ও ভাতিজার শরীর ঝলসে দিল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী

গবাদিপশু পালন বদলে দিচ্ছে জীবনের গল্প বিকল্প আয়ের সফল মডেল গবাদি পালন

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:10 am, Tuesday, 20 January 2026
  • 52 Time View
জাহাঙ্গীর আলম, স্টাফ রিপোটার,যশোর  :
বর্তমান অনিশ্চিত অর্থনৈতিক বাস্তবতায় শুধুমাত্র একটি আয়ের উৎসের ওপর নির্ভরশীল থাকা ঝুঁকিপূর্ণ।
চাকরি হারানো, ব্যবসায় ক্ষতি, অসুস্থতা বা বাজারমূল্যের ওঠানামা যেকোনো একটি কারণেই একজন মানুষের স্বা ভাবিক জীবনযাত্রা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
তাই সময়ের দাবি হলো, প্রত্যেকেরই মূল আয়ের পাশা পাশি অন্তত আরেকটি বিকল্প আয়ের উৎস গড়ে তোলা।
বিকল্প আয় ব্যক্তি ও পরিবারকে আর্থিক নিরাপত্তা দেয়।
অতিরিক্ত আয়ের মাধ্যমে সঞ্চয় বাড়ে, ঋণ নির্ভরতা কমে এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।
শিক্ষিত তরুণদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ব্যবসা, টিউশন, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ, গবাদিপশু পালন কিংবা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রম হতে পারে কার্যকর বিকল্প।
চাকরিজীবীরাও অবসর সময় কাজে লাগিয়ে দক্ষতা ভিত্তিক আয় করতে পারেন।
একাধিক আয়ের উৎস মানসিক চাপ কমায় এবং আত্মনি র্ভরশীলতা বাড়ায়। জাতীয় পর্যায়েও এর সুফল রয়েছে—বেকারত্ব হ্রাস, উৎপাদন বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হয়।
তাই ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রের কল্যাণে একটি আয়ের ওপ র নির্ভরশীল না থেকে বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করাই আ জ সময়োপযোগী ও বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত।
কৃষিনির্ভর যশোর জেলার এলাকা গুলোতে কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতায় গবাদি পশু পালন হয়ে উঠছে মানুষের আস্থার জায়গা।
অল্প পুঁজি, স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার ও সরকারি সহায় তায় এই খাত এখন বিকল্প আয়ের একটি লাভজনক ও টেকসই মডেল হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।
যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলা গুলোতে গ্রামীণ পরি বেশ, খোলা মাঠ, প্রাকৃতিক ঘাস ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ গবাদিপশু পালনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
ধানের খড়, ভুসি, কচুরিপানা ও স্থানীয় ঘাস ব্যবহার করে কম খরচে পশুখাদ্য নিশ্চিত করা যায়। ফলে ঝুঁকি কমে এবং লাভের সম্ভাবনা বাড়ে।
বেকার যুবক, ক্ষুদ্র কৃষক ও গৃহিণীরা অল্প পরিসরে গরু ও ছাগল পালন করে নিয়মিত আয় করছেন।
চৌগাছা উপজেলার চুটারহুদা গ্রামের খামারি সোহরাব হোসাইন বলেন,“আগে শুধু কৃষির ওপর নির্ভর করতাম।
দুই বছর আগে দুইটি গাভী দিয়ে খামার শুরু করি। এখন দুধ বিক্রি করে সংসারের খরচ চালানোর পাশাপাশি সঞ্চ য়ও হচ্ছে।”
একই গ্রামে সহিদুল ইসলাম  বলেন, কৃষি কাজের পাশা পাশি কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দুটি করে গরু মোটাতাজাকরণ করি।
যা দুটি মৌসুমে হলেও আমাদের জন্য একটি লাভজনক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। ছাগল পালনেও ঝুঁকি কম এবং দ্রুত বংশবিস্তার হওয়ায় প্রান্তিক মানুষের মধ্যে এর চাহি দা বাড়ছে।
চৌগাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নিয়মিত টিকাদা ন, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা খামারিদের আস্থা বাড়ি য়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আনোয়ারুল করিম জানান,“সঠিক পরিচর্যা ও সময়মতো টিকা নিশ্চিত কর লে গবাদিপশু পালন অত্যন্ত লাভজনক হতে পারে।
আমরা খামারিদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।”
খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, সহজ ঋণ সুবিধা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ ও বাজার ব্যবস্থা পনার উন্নয়ন ঘটানো গেলে গবাদিপশু পালন চৌগাছা উপজেলায় দারিদ্র্য হ্রাস, পুষ্টি নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনী তির ভিত শক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
## গবাদিপশু পালনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু  নিয়ম :
১. উপযুক্ত পশু নির্বাচনঃ
সুস্থ, চঞ্চল ও রোগমুক্ত পশু কিনতে হবে বয়স, দাঁত ও শরীরের গঠন দেখে নির্বাচন করা উচিত স্থানীয় আবহা ওয়ার উপযোগী জাত হলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
২. বাসস্থান (গোয়ালঘর)
উঁচু ও শুকনো স্থানে গোয়ালঘর নির্মাণঃ
বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত আলো থাকতে হবে
মেঝে পরিষ্কার ও শুকনো রাখতে হবে প্রতিদিন গোবর ও ময়লা পরিষ্কার করা জরুরি।
৩. খাবার ব্যবস্থাপনাঃ
সবুজ ঘাস, খড়, ভুসি ও দানাদার খাবার সুষমভাবে দিতে হবে পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানি সবসময় দিতে হবে অতি রিক্ত পচা বা দুর্গন্ধযুক্ত খাবার দেওয়া যাবে না।
৪. স্বাস্থ্য পরিচর্যাঃ
নিয়মিত টিকা (খুরা, তড়কা, অ্যানথ্রাক্স) দিতে হবে
প্রতি ৩–৪ মাস পর কৃমিনাশক ব্যবহার অসুস্থ পশু আলা দা করে রাখতে হবে প্রয়োজনে দ্রুত ভেটেরিনারি চিকিৎস কের পরামর্শ নিতে হবে।
৫. বংশবিস্তার ও বাছুর লালন সঠিক সময়ে গাভী গরম হলে কৃত্রিম প্রজনন বা প্রাকৃতিক প্রজনন বাছুর জন্মের সাথে সাথে শালদুধ খাওয়ানো জরুরি বাছুরকে পরিষ্কার ও উষ্ণ পরিবেশে রাখতে হবে।
৬. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাঃ
পশুর শরীর নিয়মিত পরিষ্কার করা গোয়ালঘর জীবাণু মুক্ত রাখা মাছি ও মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া।
৭. আয় ও ব্যবস্থাপনা: দুধ, গোবর ও বাছুর বিক্রি করে আয় করা যায় অন্য পেশার পাশাপাশি গবাদিপশু পালন কোন প্রকার চাপ ছাড়াই একটা বিকল্প লাভজনক আয়ে র উৎস ।
About Author Information

Popular Post

শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গবাদিপশু পালন বদলে দিচ্ছে জীবনের গল্প বিকল্প আয়ের সফল মডেল গবাদি পালন

Update Time : 05:10 am, Tuesday, 20 January 2026
জাহাঙ্গীর আলম, স্টাফ রিপোটার,যশোর  :
বর্তমান অনিশ্চিত অর্থনৈতিক বাস্তবতায় শুধুমাত্র একটি আয়ের উৎসের ওপর নির্ভরশীল থাকা ঝুঁকিপূর্ণ।
চাকরি হারানো, ব্যবসায় ক্ষতি, অসুস্থতা বা বাজারমূল্যের ওঠানামা যেকোনো একটি কারণেই একজন মানুষের স্বা ভাবিক জীবনযাত্রা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
তাই সময়ের দাবি হলো, প্রত্যেকেরই মূল আয়ের পাশা পাশি অন্তত আরেকটি বিকল্প আয়ের উৎস গড়ে তোলা।
বিকল্প আয় ব্যক্তি ও পরিবারকে আর্থিক নিরাপত্তা দেয়।
অতিরিক্ত আয়ের মাধ্যমে সঞ্চয় বাড়ে, ঋণ নির্ভরতা কমে এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হয়।
শিক্ষিত তরুণদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ব্যবসা, টিউশন, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ, গবাদিপশু পালন কিংবা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রম হতে পারে কার্যকর বিকল্প।
চাকরিজীবীরাও অবসর সময় কাজে লাগিয়ে দক্ষতা ভিত্তিক আয় করতে পারেন।
একাধিক আয়ের উৎস মানসিক চাপ কমায় এবং আত্মনি র্ভরশীলতা বাড়ায়। জাতীয় পর্যায়েও এর সুফল রয়েছে—বেকারত্ব হ্রাস, উৎপাদন বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হয়।
তাই ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রের কল্যাণে একটি আয়ের ওপ র নির্ভরশীল না থেকে বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করাই আ জ সময়োপযোগী ও বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত।
কৃষিনির্ভর যশোর জেলার এলাকা গুলোতে কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতায় গবাদি পশু পালন হয়ে উঠছে মানুষের আস্থার জায়গা।
অল্প পুঁজি, স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার ও সরকারি সহায় তায় এই খাত এখন বিকল্প আয়ের একটি লাভজনক ও টেকসই মডেল হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।
যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলা গুলোতে গ্রামীণ পরি বেশ, খোলা মাঠ, প্রাকৃতিক ঘাস ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ গবাদিপশু পালনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
ধানের খড়, ভুসি, কচুরিপানা ও স্থানীয় ঘাস ব্যবহার করে কম খরচে পশুখাদ্য নিশ্চিত করা যায়। ফলে ঝুঁকি কমে এবং লাভের সম্ভাবনা বাড়ে।
বেকার যুবক, ক্ষুদ্র কৃষক ও গৃহিণীরা অল্প পরিসরে গরু ও ছাগল পালন করে নিয়মিত আয় করছেন।
চৌগাছা উপজেলার চুটারহুদা গ্রামের খামারি সোহরাব হোসাইন বলেন,“আগে শুধু কৃষির ওপর নির্ভর করতাম।
দুই বছর আগে দুইটি গাভী দিয়ে খামার শুরু করি। এখন দুধ বিক্রি করে সংসারের খরচ চালানোর পাশাপাশি সঞ্চ য়ও হচ্ছে।”
একই গ্রামে সহিদুল ইসলাম  বলেন, কৃষি কাজের পাশা পাশি কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দুটি করে গরু মোটাতাজাকরণ করি।
যা দুটি মৌসুমে হলেও আমাদের জন্য একটি লাভজনক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। ছাগল পালনেও ঝুঁকি কম এবং দ্রুত বংশবিস্তার হওয়ায় প্রান্তিক মানুষের মধ্যে এর চাহি দা বাড়ছে।
চৌগাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নিয়মিত টিকাদা ন, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা খামারিদের আস্থা বাড়ি য়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আনোয়ারুল করিম জানান,“সঠিক পরিচর্যা ও সময়মতো টিকা নিশ্চিত কর লে গবাদিপশু পালন অত্যন্ত লাভজনক হতে পারে।
আমরা খামারিদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।”
খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, সহজ ঋণ সুবিধা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ ও বাজার ব্যবস্থা পনার উন্নয়ন ঘটানো গেলে গবাদিপশু পালন চৌগাছা উপজেলায় দারিদ্র্য হ্রাস, পুষ্টি নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনী তির ভিত শক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
## গবাদিপশু পালনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু  নিয়ম :
১. উপযুক্ত পশু নির্বাচনঃ
সুস্থ, চঞ্চল ও রোগমুক্ত পশু কিনতে হবে বয়স, দাঁত ও শরীরের গঠন দেখে নির্বাচন করা উচিত স্থানীয় আবহা ওয়ার উপযোগী জাত হলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
২. বাসস্থান (গোয়ালঘর)
উঁচু ও শুকনো স্থানে গোয়ালঘর নির্মাণঃ
বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত আলো থাকতে হবে
মেঝে পরিষ্কার ও শুকনো রাখতে হবে প্রতিদিন গোবর ও ময়লা পরিষ্কার করা জরুরি।
৩. খাবার ব্যবস্থাপনাঃ
সবুজ ঘাস, খড়, ভুসি ও দানাদার খাবার সুষমভাবে দিতে হবে পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানি সবসময় দিতে হবে অতি রিক্ত পচা বা দুর্গন্ধযুক্ত খাবার দেওয়া যাবে না।
৪. স্বাস্থ্য পরিচর্যাঃ
নিয়মিত টিকা (খুরা, তড়কা, অ্যানথ্রাক্স) দিতে হবে
প্রতি ৩–৪ মাস পর কৃমিনাশক ব্যবহার অসুস্থ পশু আলা দা করে রাখতে হবে প্রয়োজনে দ্রুত ভেটেরিনারি চিকিৎস কের পরামর্শ নিতে হবে।
৫. বংশবিস্তার ও বাছুর লালন সঠিক সময়ে গাভী গরম হলে কৃত্রিম প্রজনন বা প্রাকৃতিক প্রজনন বাছুর জন্মের সাথে সাথে শালদুধ খাওয়ানো জরুরি বাছুরকে পরিষ্কার ও উষ্ণ পরিবেশে রাখতে হবে।
৬. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাঃ
পশুর শরীর নিয়মিত পরিষ্কার করা গোয়ালঘর জীবাণু মুক্ত রাখা মাছি ও মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া।
৭. আয় ও ব্যবস্থাপনা: দুধ, গোবর ও বাছুর বিক্রি করে আয় করা যায় অন্য পেশার পাশাপাশি গবাদিপশু পালন কোন প্রকার চাপ ছাড়াই একটা বিকল্প লাভজনক আয়ে র উৎস ।