Dhaka , Sunday, 8 November 2026

গুম-খুনে জড়িত কর্মকর্তাদের হেফাজতে নেওয়ায় সেনাবাহিনীকে স্বাগত জানালেন আমিরে জামায়াত

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:14 am, Sunday, 12 October 2025
  • 19 Time View

বিশেষ প্রতিনিধি:গুম-খুনে জড়িত কর্মকর্তাদের বিচারে সহা য়তা ও হেফাজতে নেওয়ায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহ মান।

রোববার সকালে নিজের ফেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এই মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াত আমির লিখেছেন, গুম ও খুনের সঙ্গে জড়িত সেনাবাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে বাংলাদেশের জনগণ গর্বিত থাকতে চান।

দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বাহিনীর কতিপয় সদস্য দেশের বিদ্যমান আইন ও মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে সম্পূ র্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের প্ররোচনা প্রতিপক্ষ নিধনের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ছিলেন অন্ধ সহযোগী।

ফলে গুম এবং খুনের একটি ভীতিকর পরিবেশ দেশে সৃষ্টি হয়েছিল, যা একটি জাতির জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয়।

তবে সুনির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত হতে দেওয়া যায় না। অপরাধের দায় কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপরই বর্তাবে।

ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই বিচারপ্রক্রিয়াকে সহায়তা করার স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আমরা সেনা বাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা আশা করি, কারো ওপর কোনো অবিচার চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

স্বচ্ছ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট অপরাধীরা যথাযথ শা স্তির মুখোমুখি হবেন।

এতে যেমন অতীতের দায় মুছে যাবে, তেমনি ভবিষ্যতে কেউ নিজের পেশা বা পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে জনগণের জান মালের ক্ষতি সাধন থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবেন। পরিণ তিতে দীর্ঘমেয়াদে জাতি উপকৃত হবে।

 

 

Tag :
About Author Information

Popular Post

গুম-খুনে জড়িত কর্মকর্তাদের হেফাজতে নেওয়ায় সেনাবাহিনীকে স্বাগত জানালেন আমিরে জামায়াত

Update Time : 05:14 am, Sunday, 12 October 2025

বিশেষ প্রতিনিধি:গুম-খুনে জড়িত কর্মকর্তাদের বিচারে সহা য়তা ও হেফাজতে নেওয়ায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহ মান।

রোববার সকালে নিজের ফেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এই মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াত আমির লিখেছেন, গুম ও খুনের সঙ্গে জড়িত সেনাবাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে বাংলাদেশের জনগণ গর্বিত থাকতে চান।

দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বাহিনীর কতিপয় সদস্য দেশের বিদ্যমান আইন ও মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে সম্পূ র্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের প্ররোচনা প্রতিপক্ষ নিধনের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ছিলেন অন্ধ সহযোগী।

ফলে গুম এবং খুনের একটি ভীতিকর পরিবেশ দেশে সৃষ্টি হয়েছিল, যা একটি জাতির জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয়।

তবে সুনির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত হতে দেওয়া যায় না। অপরাধের দায় কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপরই বর্তাবে।

ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই বিচারপ্রক্রিয়াকে সহায়তা করার স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আমরা সেনা বাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা আশা করি, কারো ওপর কোনো অবিচার চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

স্বচ্ছ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট অপরাধীরা যথাযথ শা স্তির মুখোমুখি হবেন।

এতে যেমন অতীতের দায় মুছে যাবে, তেমনি ভবিষ্যতে কেউ নিজের পেশা বা পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে জনগণের জান মালের ক্ষতি সাধন থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবেন। পরিণ তিতে দীর্ঘমেয়াদে জাতি উপকৃত হবে।