Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছা পৌর সদরে দুধর্ষ চুরি : বৃদ্ধাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে ৪ লাখ টাকার মালপত্র লুট ঝিকরগাছায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত বাগেরহাটে নানা আয়োজনে সমবায় দিবস উদযাপন পুঠিয়ায় টাফেন্টাডল ও ইয়াবা টেবলেটসহ তিনজন আটক চৌগাছায় সমবায় দিবস পালিত সমবায় সমিতিকে পুরস্কার প্রদান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ দুই ভাইবোন গ্রেফতার নওগাঁ সদর মডেল থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মিন্টু রহমানের যোগদান লালপুরে গরম পানি ঢেলে আপন ভাবী ও ভাতিজার শরীর ঝলসে দিল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী

তানোরে অনিরাপদ পদ্ধতিতে কীটনাশক ব্যবহার,স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কৃষকরা

  • Reporter Name
  • Update Time : 12:03 pm, Sunday, 16 November 2025
  • 14 Time View
তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরে অনিরাপদ পদ্ধতিতে কীটনাশক ব্যবহার  করায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কৃষকরা।কিন্ত্ত এবিষয়ে কৃষকদের সচেতন করতে কৃষি বিভাগের তেমন কোনো দৃশ্যমান ও কার্যকর উদ্যোগ নাই।
তানোরে মোট কৃষি জমির পরিমাণ ২২ হাজার ৬৬৫ হেক্ট র এবং চাষযোগ্য কৃষি জমির পরিমাণ ২১ হাজার ২৯৫ হেক্টর। এছাড়া, অনাবাদী জমির পরিমাণ ৩৪৪ হেক্টর। প্রত্যক্ষ পরোক্ষ প্রায় ৫৫ হাজার কৃষক কৃষিকাজে যুক্ত রয়েছে।
জানা গেছে, ফসলের রোগ-বালাই ও পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করতে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক প্রয়ো গ করে থাকেন কৃষকরা। কিন্তু নিরাপদ পদ্ধতিতে কীটনা শক ব্যবহার না করায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন তারা।
সরেজমিনে উপজেলার দিব্যস্থল, বংপুর, গোদামা রী,ফুল বাড়ি,বাধাইড় ও জোকারপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় মাঠে দেখা গেছে, কৃষকরা তাদের ফসলের জমিতে কীটনাশক ছিটাচ্ছেন। কারো নাকে-মুখে কোনো কাপড় বা মাস্ক নেই। অনেক কৃষককে দেখা গেছে টি-শার্ট পরে জমিতে কীটনাশক ছিটাচ্ছেন।
কীটনাশকের প্যাকেট বা বোতলের গায়ে স্পষ্ট অক্ষরে বিষ লেখা থাকলেও তা কেউ আমলেই নিচ্ছেন না।
নিয়মনীতি না মেনেই এলাকার কৃষকরা যে যার মতো জমিতে কীটনা শক স্প্রে করছেন।কৃষক সরেন টুডু বলেন,বিষের যে অবস্থা দু’তিনবার দিলেও পুকাই মরে না, তাইলে ম্যানষের কি ক্ষতি হবি।
কৃষক আবুল হোসেন বলেন, কীটনাশক ছিটানোর সঠিক কোনো পদ্ধতি তার জানা নাই,এবিষয়ে কেউ কোনোদিন পরামর্শও দেয়নি।
তবে কীটনাশক ছিটানোর সময় খুবই দুর্গন্ধ হয়।ছিটানোর পর কখানো কখানো প্রচন্ড মাথা ঘোরে মাঝে মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধাও দেখা দেয়।
তাৎক্ষণিক স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শ ও চিকিৎসা নিয়ে থাকি।
এদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, সরাসরি এসব উপকরণ রক্তের সঙ্গে মিশে যাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিক এর প্রভাব বুঝতে না পারলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন কৃষকরা।
কীটনাশকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) বার্নাবাস হাসদাক বলেন, জমিতে যেকোন ফসল রক্ষার জন্য বিষ প্রয়োগের সময় স্বাস্থ্য বিধি মেনে হাতে হ্যান্ড গ্লোবস এবং মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল আহ ম্মেদ বলেন, কৃষকদেরকে নিয়ম না মেনে জমিতে কীটনা শক ব্যবহার থেকে বিরত থাকার লা জন্য পরামর্শ দিয়ে আসছি। জমিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে জমির উর্বরা শক্তি কমে যায়।
তাই কীটনাশক ব্যবহার না করে অধিক ফসল ফলানোর জন্য জৈব পদ্ধতির মাধ্যমে চাষ করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের সচেতন করতে মাঠ পর্যা য়ে কাজ চলছে। কৃষকদের এ সকল বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে।#

About Author Information

Popular Post

শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

তানোরে অনিরাপদ পদ্ধতিতে কীটনাশক ব্যবহার,স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কৃষকরা

Update Time : 12:03 pm, Sunday, 16 November 2025
তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরে অনিরাপদ পদ্ধতিতে কীটনাশক ব্যবহার  করায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কৃষকরা।কিন্ত্ত এবিষয়ে কৃষকদের সচেতন করতে কৃষি বিভাগের তেমন কোনো দৃশ্যমান ও কার্যকর উদ্যোগ নাই।
তানোরে মোট কৃষি জমির পরিমাণ ২২ হাজার ৬৬৫ হেক্ট র এবং চাষযোগ্য কৃষি জমির পরিমাণ ২১ হাজার ২৯৫ হেক্টর। এছাড়া, অনাবাদী জমির পরিমাণ ৩৪৪ হেক্টর। প্রত্যক্ষ পরোক্ষ প্রায় ৫৫ হাজার কৃষক কৃষিকাজে যুক্ত রয়েছে।
জানা গেছে, ফসলের রোগ-বালাই ও পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করতে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক প্রয়ো গ করে থাকেন কৃষকরা। কিন্তু নিরাপদ পদ্ধতিতে কীটনা শক ব্যবহার না করায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন তারা।
সরেজমিনে উপজেলার দিব্যস্থল, বংপুর, গোদামা রী,ফুল বাড়ি,বাধাইড় ও জোকারপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় মাঠে দেখা গেছে, কৃষকরা তাদের ফসলের জমিতে কীটনাশক ছিটাচ্ছেন। কারো নাকে-মুখে কোনো কাপড় বা মাস্ক নেই। অনেক কৃষককে দেখা গেছে টি-শার্ট পরে জমিতে কীটনাশক ছিটাচ্ছেন।
কীটনাশকের প্যাকেট বা বোতলের গায়ে স্পষ্ট অক্ষরে বিষ লেখা থাকলেও তা কেউ আমলেই নিচ্ছেন না।
নিয়মনীতি না মেনেই এলাকার কৃষকরা যে যার মতো জমিতে কীটনা শক স্প্রে করছেন।কৃষক সরেন টুডু বলেন,বিষের যে অবস্থা দু’তিনবার দিলেও পুকাই মরে না, তাইলে ম্যানষের কি ক্ষতি হবি।
কৃষক আবুল হোসেন বলেন, কীটনাশক ছিটানোর সঠিক কোনো পদ্ধতি তার জানা নাই,এবিষয়ে কেউ কোনোদিন পরামর্শও দেয়নি।
তবে কীটনাশক ছিটানোর সময় খুবই দুর্গন্ধ হয়।ছিটানোর পর কখানো কখানো প্রচন্ড মাথা ঘোরে মাঝে মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধাও দেখা দেয়।
তাৎক্ষণিক স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শ ও চিকিৎসা নিয়ে থাকি।
এদিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, সরাসরি এসব উপকরণ রক্তের সঙ্গে মিশে যাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিক এর প্রভাব বুঝতে না পারলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন কৃষকরা।
কীটনাশকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) বার্নাবাস হাসদাক বলেন, জমিতে যেকোন ফসল রক্ষার জন্য বিষ প্রয়োগের সময় স্বাস্থ্য বিধি মেনে হাতে হ্যান্ড গ্লোবস এবং মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল আহ ম্মেদ বলেন, কৃষকদেরকে নিয়ম না মেনে জমিতে কীটনা শক ব্যবহার থেকে বিরত থাকার লা জন্য পরামর্শ দিয়ে আসছি। জমিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে জমির উর্বরা শক্তি কমে যায়।
তাই কীটনাশক ব্যবহার না করে অধিক ফসল ফলানোর জন্য জৈব পদ্ধতির মাধ্যমে চাষ করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের সচেতন করতে মাঠ পর্যা য়ে কাজ চলছে। কৃষকদের এ সকল বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে।#