Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ দুই ভাইবোন গ্রেফতার নওগাঁ সদর মডেল থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মিন্টু রহমানের যোগদান লালপুরে গরম পানি ঢেলে আপন ভাবী ও ভাতিজার শরীর ঝলসে দিল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী চৌগাছায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির আলোচনা সভা ও র‌্যালি ক্ষমতার ভাগাভাগি নয়,জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করছে এবি পার্টি: মজিবুর রহমান মঞ্জু নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা!! ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে চান সংস্কৃতিমন্ত্রী- নিতাই রায় চৌধুরী পুঠিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পাওনা টাকা চাওয়ায় ছোট ভাইয়ের মাথা ফাটালো বড় ভাই

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ জরুরি

প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম :
বর্তমান সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের নাম মুদ্রাস্ফীতি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি, টাকার ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্য বিত্ত মানুষ কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে। বাজারে গেলে প্রতিদিনই নতুন দামের সঙ্গে পরিচিত হতে হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি শুধু অর্থনৈতিক সংকট নয়, সামাজিক অস্থিরতারও কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই এখনই বাস্ত বসম্মত, সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
মুদ্রাস্ফীতির অন্যতম কারণ হলো উৎপাদনের তুলনায় বাজারে অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি, ডলারের মূল্য বৃদ্ধি, আমদানি নির্ভরতা,
জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, মজুতদারি এবং বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ ও পরিবেশগত সংকট। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হলে খাদ্যপণ্যের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে বর্তমান বাস্তবতায় শুধু অর্থনৈতিক নয়, পরিবেশ ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকেও সমাধান ভাবতে হবে।
প্রথমত, কৃষি ও স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। খাদ্যপ ণ্যে বিদেশ নির্ভরতা কমিয়ে দেশের কৃষককে প্রণোদনা, সেচ সুবিধা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
কৃষি টিকলে বাজারও স্থিতিশীল থাকবে। একইসাথে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সহজ ঋণ, প্রযুক্তি সহায়তা এবং বিদ্যুৎ সুবিধা দিয়ে উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে।
উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমানে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। দেশে বিপুল সংখ্য ক শিক্ষিত ও অশিক্ষিত বেকার যুবক কর্মহীন অবস্থায় রয়েছে। কর্মসংস্থান না বাড়লে মানুষের আয় কমে যায়, ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধি পায়। তাই শিল্পকারখানা স্থাপন, কৃষিভিত্তিক শিল্প, ক্ষুদ্র উদ্যো ক্তা সৃষ্টি, আইটি ও প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়লে মানুষের হাতে বৈধ আয় বাড়বে, উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনীতির ভিত আরও শক্তিশালী হবে।
দ্বিতীয়ত, বাজারে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। সিন্ডিকেট, মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বি রুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। শুধু অভিযান নয়, স্থায়ী বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
তৃতীয়ত, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সতর্ক মুদ্রানীতি অনুসরণ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় টাকা ছাপানো ও অতিরিক্ত ঋণ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। একইসাথে ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা জরুরি।
কারণ দুর্বল ব্যাংক ব্যবস্থা অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি করে।
চতুর্থত, সরকারি অপচয় ও দুর্নীতি কমানো এখন সময়ের দাবি। উন্নয়নের নামে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে উৎপা দন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। দুর্নীতি কমলে প্রকৃত ব্যয় কমবে এবং বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পঞ্চমত, সামাজিক নিরাপত্তা ও ন্যায়ভিত্তিক সম্পদ বণ্ট নের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইসলামী অর্থব্যব স্থার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ যাকাত ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সুশৃ ঙ্খল, স্বচ্ছ ও বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর করার বিষয় টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা যেতে পারে। যাকাতের মাধ্য মে সমাজের ধনী শ্রেণির সম্পদের একটি অংশ দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছাবে। ফলে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং দরিদ্র মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
রাষ্ট্রীয়ভাবে যাকাত ব্যবস্থা চালু হলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী ক্ষুদ্র ব্যবসা, কৃষিকাজ বা আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারে। এতে ভিক্ষাবৃত্তি ও নির্ভরশীলতা কমে উৎ পাদনশীল জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি পাবে। একইসাথে সমাজে অর্থের সঞ্চালন বাড়বে এবং সম্পদ কেবল সীমিত কিছু মানুষের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ার প্রবণতা কমবে। তবে এই ব্যবস্থা অবশ্যই স্বচ্ছ প্রশাসন, দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক অর্থনৈতিক নীতির সমন্বয়ে পরিচালিত হতে হবে, যাতে যাকাত প্রকৃত হকদারদের কাছে পৌঁছায়।
সবশেষে মনে রাখতে হবে, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কোনো একদিনের কাজ নয়। এটি রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সুশাসন, উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নৈতিকতা এবং জনস ম্পৃক্ততার সমন্বিত ফল।

বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং সাধারণ মানু ষের জীবন কিছুটা স্বস্তিদায়ক করা সম্ভব হবে।

লেখক পরিচিতি : প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক ও কলামিস্ট। মোবাইল নং ০১৯১১৬০৪৪৫৫

About Author Information

Popular Post

ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ জরুরি

Update Time : 05:00 pm, Thursday, 21 May 2026
প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম :
বর্তমান সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের নাম মুদ্রাস্ফীতি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি, টাকার ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্য বিত্ত মানুষ কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে। বাজারে গেলে প্রতিদিনই নতুন দামের সঙ্গে পরিচিত হতে হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি শুধু অর্থনৈতিক সংকট নয়, সামাজিক অস্থিরতারও কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই এখনই বাস্ত বসম্মত, সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
মুদ্রাস্ফীতির অন্যতম কারণ হলো উৎপাদনের তুলনায় বাজারে অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি, ডলারের মূল্য বৃদ্ধি, আমদানি নির্ভরতা,
জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, মজুতদারি এবং বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ ও পরিবেশগত সংকট। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হলে খাদ্যপণ্যের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে বর্তমান বাস্তবতায় শুধু অর্থনৈতিক নয়, পরিবেশ ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকেও সমাধান ভাবতে হবে।
প্রথমত, কৃষি ও স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। খাদ্যপ ণ্যে বিদেশ নির্ভরতা কমিয়ে দেশের কৃষককে প্রণোদনা, সেচ সুবিধা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
কৃষি টিকলে বাজারও স্থিতিশীল থাকবে। একইসাথে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সহজ ঋণ, প্রযুক্তি সহায়তা এবং বিদ্যুৎ সুবিধা দিয়ে উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে।
উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমানে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। দেশে বিপুল সংখ্য ক শিক্ষিত ও অশিক্ষিত বেকার যুবক কর্মহীন অবস্থায় রয়েছে। কর্মসংস্থান না বাড়লে মানুষের আয় কমে যায়, ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধি পায়। তাই শিল্পকারখানা স্থাপন, কৃষিভিত্তিক শিল্প, ক্ষুদ্র উদ্যো ক্তা সৃষ্টি, আইটি ও প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়লে মানুষের হাতে বৈধ আয় বাড়বে, উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনীতির ভিত আরও শক্তিশালী হবে।
দ্বিতীয়ত, বাজারে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। সিন্ডিকেট, মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বি রুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা ছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। শুধু অভিযান নয়, স্থায়ী বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
তৃতীয়ত, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সতর্ক মুদ্রানীতি অনুসরণ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় টাকা ছাপানো ও অতিরিক্ত ঋণ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। একইসাথে ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা জরুরি।
কারণ দুর্বল ব্যাংক ব্যবস্থা অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি করে।
চতুর্থত, সরকারি অপচয় ও দুর্নীতি কমানো এখন সময়ের দাবি। উন্নয়নের নামে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে উৎপা দন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। দুর্নীতি কমলে প্রকৃত ব্যয় কমবে এবং বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পঞ্চমত, সামাজিক নিরাপত্তা ও ন্যায়ভিত্তিক সম্পদ বণ্ট নের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইসলামী অর্থব্যব স্থার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ যাকাত ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সুশৃ ঙ্খল, স্বচ্ছ ও বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর করার বিষয় টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা যেতে পারে। যাকাতের মাধ্য মে সমাজের ধনী শ্রেণির সম্পদের একটি অংশ দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছাবে। ফলে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং দরিদ্র মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
রাষ্ট্রীয়ভাবে যাকাত ব্যবস্থা চালু হলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী ক্ষুদ্র ব্যবসা, কৃষিকাজ বা আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারে। এতে ভিক্ষাবৃত্তি ও নির্ভরশীলতা কমে উৎ পাদনশীল জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি পাবে। একইসাথে সমাজে অর্থের সঞ্চালন বাড়বে এবং সম্পদ কেবল সীমিত কিছু মানুষের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ার প্রবণতা কমবে। তবে এই ব্যবস্থা অবশ্যই স্বচ্ছ প্রশাসন, দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক অর্থনৈতিক নীতির সমন্বয়ে পরিচালিত হতে হবে, যাতে যাকাত প্রকৃত হকদারদের কাছে পৌঁছায়।
সবশেষে মনে রাখতে হবে, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কোনো একদিনের কাজ নয়। এটি রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সুশাসন, উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নৈতিকতা এবং জনস ম্পৃক্ততার সমন্বিত ফল।

বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং সাধারণ মানু ষের জীবন কিছুটা স্বস্তিদায়ক করা সম্ভব হবে।

লেখক পরিচিতি : প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক ও কলামিস্ট। মোবাইল নং ০১৯১১৬০৪৪৫৫