আনোয়ার হোসেন. সিংড়া (নাটোর):
শস্যা ভান্ডার ও মৎস্য ভান্ডার খ্যাত নাটোরের সিংড়া চলনবিলবাসির স্বপ্নের বহুল প্রত্যাশিত গ্যাসের খনির সন্ধান পাওয়া গ্যাসকুপটি ৪৫বছর আগে রাতের অন্ধ কারে হাজার হাজার ব্যাগ সিমেন্টের বস্তা ও সিসার ঢালা ই দিয়ে গ্যাসকুপটি মুখ বন্ধ করে, রাতারাতি উধাও হয়ে যায় রোমানিয়ার একটি কোম্পানি।
তাই চলনবি লবাসির দাবী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নেই, তবে তার সুযোগ্য ছেলে বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী তারে ক রহমান কাছে পূনরায় গ্যাসকুপটি দাবী জানিয়েছেন।
সুত্রে প্রকাশ, ১৯৮০ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খননকাজ পরিদর্শন শেষে শেষে সিংড়ার উন্নয়ন ও চলনবিলবাসীর সমস্যা-সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে সিংড়া পেট্রোবাংলায় রাত্রিযাপন করেছিলেন।
ওই সময় পরিদর্শনকালে গ্যাসের সন্ধান নিশ্চিত করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঢাকায় চলে যান।
পরবর্তীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর কিছুদিন পর ১৯৮১সালে হটাৎ করে তৎকালীন জ¦ালানী
মন্ত্রীর নিদের্শে এই গ্যাসকুপটির খনন কাজ বন্ধ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, হাজার হাজার সিমেন্টের বস্তা ও সিসার ঢালাই দিয়ে রাতারাতি খননকাজ বন্ধ করে গ্যাস উত্তোল ন কোম্পানির প্রতিনিধিরা পালিয়ে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায, গ্যাস কুপখননের বিভিন্ন নিদর্শন মিললেও নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে মানুষের
মুখে মুখে।
বর্তমানে গ্যাসখননের জায়গায় জমির মালিকরা গড়ে তুলেছে বসতভিটা। কেউ কেউ বিক্রি করে অন্যত্র চলে গেছেন।
খননকাজে নিয়োজিত স্থানীয় কয়েকজন শ্রমিক জানান, ১৯৮০সালে বিদেশি বিশেষজ্ঞ টিমের সাথে যখন কাজ করি বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন শতশত মানুষ খনন কাজ দেখতে আসতো।
তাইৃচলনবিলবাসির দাবী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নেই, তবে তার সুযোগ্য ছেলে বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান কাছে পূনরায় গ্যাসকুপটি দাবী জা নিয়েছেন।
দিন দিন দেশে গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাম্পগুলো ঠিকমত গ্যাসের চাহিদা মিটাতে পারছে না। গ্যাসের জন্য পাম্পগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে মানুষ।
এমনকি বিভিন্ন জায়গায় অপীতিকর ঘটনাও ঘটছে।
তাই চলনবিলবাসির প্রত্যাশিত দাবী সম্ভাবনাময় গ্যাস কুপটি পূনরায় খনন করে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গ্যাসের চাহিদা অনেকটাই মিটানো সম্ভা ব বলে মনে করছেন রাজনীবিদ ও সুশিল সমাজের প্রতি নিধিরা। ১৯৮০সালের দিকে চলনবিলের কয়ড়াবাড়ি লাল পুকুরের পাশে গ্যাসের সন্ধান মিলে পরবর্তীতে রোমানিয়া সহ বিদেশি বিশেষজ্ঞ টিম এসে পরিদর্শন করেন এবং ওই এলাকায় খননকাজ শুরু করার অংশ হিসেবে বালুয়া বাসুয়া থেকে চলনবিল রাস্তা নির্মান এবং ৪টি পাটাতনের সেতু নির্মিত করেন।
তারপর ট্রাকে করে মালামাল আনার মধ্যে দিয়ে খনন কাজ শুরু হয়। শিফট অনুযায়ী ২৪ ঘন্টা ৩শতাধিক শ্রমি ক রোমানিয়ার বিশেষজ্ঞ টিমের সাথে কাজে অংশ নেন।
প্রতিদিন ২০টাকা থেকে শুরু করে ৬০/৭০ টাকা দিন
হাজিরা কেউবা মাসিক বেতনে শ্রমিক হিসেবে কাজে অংশ নেয়।
এভাবে কাজ ভালোই চলছিলো। বিদেশি বিশেষজ্ঞ টিমের পরিবারগুলো সিংড়া বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিণে হাফ কিলোমি টার অদুরে পেট্রোবাংলায় বসতি গড়েন।
সুশিল সমাজের প্রতিনিধি এসএম ইসাহক আহমেদ ও আমজাদ হোসেন বলেন, ১৯৮১সালে হটাৎ করে তৎকা লীন জ¦ালানী মন্ত্রীর নিদের্শে এই গ্যাসকুপটির খনন কাজ বন্ধ করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন।
গ্যাসকুপটির খনন কাজ পূনরায় শুরু করা হলে এই অঞ্চ লের মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি শস্যা ভান্ডার ও মৎস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলবাসীর ভাগ্য প্রতিফলন ঘটবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চলনবিলের গ্যাসকুপটি পরিদর্শনে তিন-থেকে চারবার সিংড়ায় এসে ছিলেন এবং এক রাত যাপন করেছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম বুলেট।
বিএনপি নেতা আতিকুর রহমান লিটন, রুহুল আমিন ও এবং সাইদুর রহমান সাধু জানান, চলনবিলের প্রত্যাশিত গ্যাস কুপটিতে গ্যাসের পাশাপাশি তেল-কয়লা থাকার ব্যাপক সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু দেশের বাইরে রয়েছেন বলে তার ব্যক্তিগত সহকারী
মিনহাজুল ইসলাম কাজল নিশ্চিত করেছেন।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে