Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছা পৌর সদরে দুধর্ষ চুরি : বৃদ্ধাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে ৪ লাখ টাকার মালপত্র লুট ঝিকরগাছায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত বাগেরহাটে নানা আয়োজনে সমবায় দিবস উদযাপন পুঠিয়ায় টাফেন্টাডল ও ইয়াবা টেবলেটসহ তিনজন আটক চৌগাছায় সমবায় দিবস পালিত সমবায় সমিতিকে পুরস্কার প্রদান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ দুই ভাইবোন গ্রেফতার নওগাঁ সদর মডেল থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মিন্টু রহমানের যোগদান লালপুরে গরম পানি ঢেলে আপন ভাবী ও ভাতিজার শরীর ঝলসে দিল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী

যশোরের ৬টি আসনে জামায়াতের একক প্রার্থী:বিএনপি বিভক্ত !!

  • Reporter Name
  • Update Time : 09:15 am, Sunday, 12 October 2025
  • 72 Time View

যশোর প্রতিনিধি:আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ৬টি আসনে জামায়াতের একক প্রার্থী হওয়ায় তারা মাঠে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকায় দলীয় নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সকল রাজনৈতিক দলের আ গে প্রথম নির্বাচনে প্রার্থীতা চূড়ান্তে করে দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন  জামায়াতে ইসলাম। সেই হিসেবে বিএনপি পিছিয়ে পড়েছে।

যশোর ২ চৌগাছা-ঝিকরগাছা আসনে জামায়াতের একক মনোনীত প্রার্থী শিশু হৃদরোগ ও ইনটেনসিভ কেয়ার বিশেষ জ্ঞ ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র শিবিরের সভাপতি ছি লেন। এম বিবিএস পাশ করে পিজি হাসপাতালে যোগ দেন। দুই বছর পর যুক্তরাজ্যে চলে যান।

তিন একক প্রার্থী হিসাবে যশোরের ৬টির মধ্যে সবচেয়ে বেশী প্রভাব ফেলেছেন  চিকিৎসক, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী, ব্যবসায়ী ও স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের মধো।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সনাতন ধর্মাবলম্বী ও দরিদ্র জনগো ষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা প্রদানসহ সামাজিক ও মানবিক বিভি ন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।

তিনি নিয়মিত সামাজিক ও মানবিক কাজের মাধ্যমে সাধা রণ মানুষের কাছে যাচ্ছেন। সাংগঠনিক নানা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।

নতুন প্রার্থী হিসাবে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন তিনি।’

এ আসনে ২০০১ সালের নির্বা চনে জামায়াতের মুহাদ্দিস আবু সাঈদ মোহাম্মদ শাহাদাৎ হুসাইন সংসদ সদস্য নির্বা চিত হয়েছিলেন। এরআগে ১৯৮৬ সালে জামায়াতের এমপি হয়েছিল মোঃ মকবুল হোসেন।

যশোর-১ (শার্শা) আসনে  ১৯৮৬ সালে জামায়াত থেকে এ্যা ড নুর হুসাইন এম পি হয়েছিলেন। এ আসনে জানায়াতের বেশ শক্ত অবস্থান রয়েছে।

এ আসনে জামায়াতের সাবেক জেলা আমির কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান মনোনয়ন পেয়েছেন।

এ আসনে ১৯৮৬ সালে জামায়াত থেকে এ্যাড নুর হুসাইন এমপি হয়েছিলেন। এ আসনে জানায়াতের বেশ শক্ত অব স্থান রয়েছে

তিনি ২০০৮ সালে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসাবে প্রতি দ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ আফিল উদ্দিনের কাছে প্রায় পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন।

তিনি এই আসনে কাজ করছেন। এবার তিনি জামায়াতের একক প্রার্থী হিসাবে ভোটে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

যশোর-৩ (সদর) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সরকারি মাই কেল মধুসূদন (এমএম) কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি আব্দুল কাদের। সাবেক ছাত্রনেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিসাবে আব্দুল কাদেরের পরিচিতি রয়েছে।

তিনি দলের প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনি এলাকায় নিয়মিত গণসং যোগ করছেন।

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল।

তিনি সদর উপজেলার হামিদপুর আল-হেরা ডিগ্রি কলেজে শিক্ষকতা করেন। তিনি জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসাবে নিয়মিত এলাকায় গণসংযোগ করছেন।

যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক। তিনি সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী।

সামাজিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন।

৫ আগস্টের আগে ও পরে তিনি এলাকার নেতাকর্মী ও সাধা রণ মানুষের কল্যাণে ব্যাপক কাজ করেছেন বলে দাবি তার অনুসারীদের।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে কেশবপুর কলেজের অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক মোক্তার আলীকে মনোনীত করা হয়েছেন।  এলাকায় তার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে।

১৯৯৬ সালেও এই আসন থেকে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হয়েছিলেন। এবার দলের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে আগেই ভোটের মাঠে নেমেছেন।

এ আসনে,জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী বাছাইয়ে বৈচিত্র্য এনেছে।

যশোরের ৬টি আসনেও বিশিষ্ট চিকিৎসক, আইনজীবী, অধ্যাপক, ব্যবসায়ী পেশার প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ায় তৃণমূলে ব্যাপক সাড়া মিলেছে।

দলের ভেতরে-বাইরে প্রার্থীদের সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। যার প্রভাব পড়বে ভোটেও।

যশোর-২ আসনের প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, সব ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছি।

নিয়মিত সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছি। তাদের অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। বিজয়ী হলে সবার জন্য কাজ করব ইনশাল্লাহ।

 

About Author Information

Popular Post

শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

যশোরের ৬টি আসনে জামায়াতের একক প্রার্থী:বিএনপি বিভক্ত !!

Update Time : 09:15 am, Sunday, 12 October 2025

যশোর প্রতিনিধি:আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ৬টি আসনে জামায়াতের একক প্রার্থী হওয়ায় তারা মাঠে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকায় দলীয় নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সকল রাজনৈতিক দলের আ গে প্রথম নির্বাচনে প্রার্থীতা চূড়ান্তে করে দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন  জামায়াতে ইসলাম। সেই হিসেবে বিএনপি পিছিয়ে পড়েছে।

যশোর ২ চৌগাছা-ঝিকরগাছা আসনে জামায়াতের একক মনোনীত প্রার্থী শিশু হৃদরোগ ও ইনটেনসিভ কেয়ার বিশেষ জ্ঞ ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র শিবিরের সভাপতি ছি লেন। এম বিবিএস পাশ করে পিজি হাসপাতালে যোগ দেন। দুই বছর পর যুক্তরাজ্যে চলে যান।

তিন একক প্রার্থী হিসাবে যশোরের ৬টির মধ্যে সবচেয়ে বেশী প্রভাব ফেলেছেন  চিকিৎসক, সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী, ব্যবসায়ী ও স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের মধো।

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সনাতন ধর্মাবলম্বী ও দরিদ্র জনগো ষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা প্রদানসহ সামাজিক ও মানবিক বিভি ন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।

তিনি নিয়মিত সামাজিক ও মানবিক কাজের মাধ্যমে সাধা রণ মানুষের কাছে যাচ্ছেন। সাংগঠনিক নানা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।

নতুন প্রার্থী হিসাবে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন তিনি।’

এ আসনে ২০০১ সালের নির্বা চনে জামায়াতের মুহাদ্দিস আবু সাঈদ মোহাম্মদ শাহাদাৎ হুসাইন সংসদ সদস্য নির্বা চিত হয়েছিলেন। এরআগে ১৯৮৬ সালে জামায়াতের এমপি হয়েছিল মোঃ মকবুল হোসেন।

যশোর-১ (শার্শা) আসনে  ১৯৮৬ সালে জামায়াত থেকে এ্যা ড নুর হুসাইন এম পি হয়েছিলেন। এ আসনে জানায়াতের বেশ শক্ত অবস্থান রয়েছে।

এ আসনে জামায়াতের সাবেক জেলা আমির কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান মনোনয়ন পেয়েছেন।

এ আসনে ১৯৮৬ সালে জামায়াত থেকে এ্যাড নুর হুসাইন এমপি হয়েছিলেন। এ আসনে জানায়াতের বেশ শক্ত অব স্থান রয়েছে

তিনি ২০০৮ সালে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসাবে প্রতি দ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ আফিল উদ্দিনের কাছে প্রায় পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন।

তিনি এই আসনে কাজ করছেন। এবার তিনি জামায়াতের একক প্রার্থী হিসাবে ভোটে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

যশোর-৩ (সদর) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সরকারি মাই কেল মধুসূদন (এমএম) কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি আব্দুল কাদের। সাবেক ছাত্রনেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিসাবে আব্দুল কাদেরের পরিচিতি রয়েছে।

তিনি দলের প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনি এলাকায় নিয়মিত গণসং যোগ করছেন।

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল।

তিনি সদর উপজেলার হামিদপুর আল-হেরা ডিগ্রি কলেজে শিক্ষকতা করেন। তিনি জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসাবে নিয়মিত এলাকায় গণসংযোগ করছেন।

যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক। তিনি সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী।

সামাজিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন।

৫ আগস্টের আগে ও পরে তিনি এলাকার নেতাকর্মী ও সাধা রণ মানুষের কল্যাণে ব্যাপক কাজ করেছেন বলে দাবি তার অনুসারীদের।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে কেশবপুর কলেজের অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক মোক্তার আলীকে মনোনীত করা হয়েছেন।  এলাকায় তার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে।

১৯৯৬ সালেও এই আসন থেকে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হয়েছিলেন। এবার দলের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে আগেই ভোটের মাঠে নেমেছেন।

এ আসনে,জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী বাছাইয়ে বৈচিত্র্য এনেছে।

যশোরের ৬টি আসনেও বিশিষ্ট চিকিৎসক, আইনজীবী, অধ্যাপক, ব্যবসায়ী পেশার প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ায় তৃণমূলে ব্যাপক সাড়া মিলেছে।

দলের ভেতরে-বাইরে প্রার্থীদের সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। যার প্রভাব পড়বে ভোটেও।

যশোর-২ আসনের প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, সব ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছি।

নিয়মিত সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছি। তাদের অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। বিজয়ী হলে সবার জন্য কাজ করব ইনশাল্লাহ।