এদিকে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বড় ভাই আমিনুর হক আ মিন ও তাঁর ভাগনে জিয়াউল হক রতনের হামলায় ছোট ভাই মাথা ফেটে আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
স্থানীয়রা বড় ভাই আমিনুর ও তার ভাগ্নে রতনকে আটক এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
সম্প্রতি উপজেলার মাড়িয়া গ্রামে আমিনের মুরগির খামারে র সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর জখম তুহিন কে উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ক রেন।এঘটনায় গ্রামবাসির মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
হামলাকারীরা হলেন আমিনুর হক আমিন উপজেলার মৃত আজিজুল হকের পুত্র ও জিয়াউল হক রতন হারেজ উদ্দিন মাষ্টারের পুত্র।
তিনি দুর্গাপুর ডিগ্রী কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। এদিকে শিক্ষক হয়ে এমন হামলার ঘটনায় জড়িত থাকায় তার বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন গ্রামের সাধা রণ মানুষ।
ভুক্তভোগী ছোট ভাই তুহিনের অভিযোগ, আপন দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে যৌথভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। ব্যবসার আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী তাঁর পাওনা প্রায় দেড় কোটি টাকা। কিন্তু বড় ভাই আমিনুর হক আমিন দীর্ঘদিন ধরে সেই টাকা বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।
পাওনা টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ ও টালবাহানা করছেন।
তুহিন আরও অভিযোগ করেন, গত রো ববার দুপুরে পাওনা টাকা চাইতে গেলে বড় ভাই আমিনুর হকের নেতৃত্বে তাঁর ভাগ নে জিয়াউর হক রতনসহ কয়েকজন তাঁর ওপর ফিল্মি স্টাই লে অতর্কিত হামলা চালান।
এ সময় তাঁকে মারধর করে মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তাঁর মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়।আহত ওবাইদুল হক তুহিন বলেন, আমরা দুই ভাই মিলে দীর্ঘদিন ব্যবসা করেছি। ব্যবসার টাকা বুঝিয়ে না দিয়ে আমাকে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
পাওনা টাকা চাইতে গেলেই হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়।রোব বার টাকা চাইতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছি।
তুহিনের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার স্বামী আপন বড় ভাইয়ের সঙ্গে ব্যবসা করে। কিন্ত্ত বড় ভাই কৌশলে তুহিনের প্রাপ্য টাকা আত্মসাৎ করেছেন।#

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ 


















