যশোর ঝিকরগাছার রওজাতুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার জ মজ শিক্ষার্থীর (১০)’র যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গঠিত ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দাখিল করেছেন।
প্রতিবেদনে মাদ্রাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযো গের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়।
কয়েক দিন যাবৎ মহিলা মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ ও গণমাধ্যমে শিশু নির্যাত নের সংবাদ প্রকাশিত হয়।
বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর হওয়ায় উপ জেলা নির্বাহী অফিসার স্বপ্রণোদিত হয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওয়ালীয়ার’র নেতৃ ত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন সংক্রান্ত তথ্য উপজেলা নি র্বাহী অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন নির্দেশনা মোতাবেক তদন্ত কমিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে পূর্ণ প্রতি বেদন দাখিল করেছেন। প্রতিবেদনে পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।
তদন্ত কমিটির আহবায়কের কাছে কোন প্রক্রিয়ায় তদন্ত কা র্য সম্পন্ন করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন ভিকটিম ও তার মা-বাবা ও অভিযুক্ত পরিচালককে আলাদা আলাদা ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করা হয়।
জবানবন্দীতে পরিচালক তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পন্ন অস্বীকার করেন এবং এটা মিথ্যা ,ভিত্তাহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন।
জবানবন্দিতে তিনি কারো নাম উল্লেখ না করে বলেন একটি গোষ্ঠী আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে এ ধরনের অপপ্রচার চালি য়েছে।
অপরদিকে ভিকটিমের মা বাবা ঘটনাটি সত্য নয় বলে জবান বন্দী প্রদান করেছেন। ভিকটিমের মায়ের ভিডিও বার্তায় সে টা লক্ষ্য করা গেছে। ভিকটিম জমজ শিক্ষার্থী তার মা বাবার বক্তব্য সমর্থন করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আরো বলেন, আমরা উভয়পক্ষের উপস্থিতি তে প্রাইমারি শিক্ষক, হাই স্কুলের শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও অত্র মহিলা মাদ্রাসার হেফজ করা শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং বর্তমানে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের সাথে সার্বিক বিষয়ে কথা বলেছি।
কিন্তু,কারো কাছ থেকে নেতিবাচক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মহিলা মাদ্রাসার পুরুষ পরিচালক সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে
তিনি বলেন, পর্দার বিধান মেনেই মাদ্রাসার নির্বাহী পরিচাল ক বা সুপার মাওলানা আব্দুর রহমান অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী দের পাঠদানের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়ে থা কেন।
বহুতল ভবন নির্মাণ করে মাদ্রাসা পরিচালনার ক্ষেত্রে আয় ব্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আমার পৈত্রিক ও খরিদকৃত সম্পত্তি বিক্রি করে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছি।
এ জনপদের দরিদ্র নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েদের কোর আন হাদিস শিক্ষার মাধ্যমে নারী শিক্ষার বিস্তার প্রসারের লক্ষ্যে আমার স্ত্রীর নামে ৫ শতক সম্পত্তি ক্রয় করে এ দ্বীনি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে।

কে এম ইদ্রিস আলী, যশোর প্রতিনিধিঃ 


















